সত্যিই খুশি থাকতে চান??? বন্ধ করুন নিজেকে নিজে বলা এই ৫ মিথ্যে !

জীবনে সবাই সত‍্যিকারের সুখ অনুভব করতে চায়।
কিন্তু নানা রকম চাপ, সমস্যা, অসুবিধে, দুশ্চিন্তা আমাদেরকে সুখে থাকা থেকে বঞ্ছিত করে। তখন মনে হয়, কিছু থেকেও বোধহয় কিছুই নেই। আর ভালো থাকা যায় তখনই যখন চারপাশের মানুষদের মধ্যেও প্রচুর পজেটিভ এনার্জি থাকে। উৎসাহ থাকে। ভালোবাসা থাকে। কারণ মন ভালো না থাকলে কোনও ভাবেই ভালো থাকা যায় না। তাহলে হয়তো আপনার মনে হতে পারে বাকিরা এত চাপের মধ্যেও এত হাসিখুশি আছে কী করে? সেক্ষেত্রে কারণ একটাই। তাঁরা জীবনের স্ট্রেসকে সুকৌশলে আয়ত্তে এনেছেন। ভালো খারাপ প্রত্যেকের জীবনেই থাকে। কিন্তু তার সঙ্গে সেইভাবে যুঝতে হয়। এছাড়াও নিজের জীবনে চ্যালেঞ্জ নিতে শিখুন। দেখে নিন নিজেকে কীভাবে ভালো রাখবেন।

১.না বলতে শিখুন:

সোজাসুজি কথা বলতে পারাটা খুব জরুরি। সেখানো কোনও মিথ্যের আশ্রয় নেবেন না। নিজে নিজের সঙ্গে কথা বলুন। নিজেকে বোঝান যে এটা সত্যিই আপনার প্রাপ্য ছিল কিনা। এছাড়াও সেল্ফ মোটিভেশন খুবই জরুরি।

২.ফোকাস থাকুন:

নিজেকে নিয়ে এবং নিজের ইচ্ছে নিয়ে ফোকাস থাকুন। নিজে কি করতে চাইছেন, কেমন কাজ আপনার পছন্দ, জীবনটা কীভাবে দেখতে চান…সব কিছু পরিকল্পনা করে এগোন। নিজের ভুল নিজেই ধরুন।

৩.প্রচুর আশা রাখবেন না:

জীবনে খুব বেশি আশা রাখবেন না। সব সময় জিতে আসলেই মন থেকে জয়ী হওয়া যায় না। কিছুক্ষেত্রে বরং নিজের আবেগকে প্রাধান্য দিন। যেটুকু পেয়েছেন তাই নিয়ে নিজের মতো করে থাকার চেষ্টা করুন। সময় নিয়ে কাজ করুন। দেখবেন ভালো থাকবেন। যাদের অতিরিক্ত আছে কিংবা কিছু না থেকেই বেশি দাম্ভিক মনে রাখবেন তাদের চেয়ে খারাপ কেউ থাকে না।

৪.আপনার খুশিও কিন্তু কারোর উপর নির্ভরশীল:

আপনি ভালো থাকলে, হাসিখুশি থাকলে আপনার পরিজনেরা ভালো থাকেন। আপনি খারাপ থাকুন কিংবা আপনার জীবনে সাফল্য না আসুক এরকমটা তাঁরা চান না কখনই। ফলে একটু অন্যের কথাও ভাবুন। কোথাও গিয়ে ভালো থাকা জরুরি। হয়তো আজ যার জন্য আক্ষেপ করছেন পাঁচ বছর পর ঠিক আপনার আশাপূরণ হতেই পারে।

৫.ঠান্ডা মাথায় ভেবে কাজ করুন:

রাগের বশে চট করে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। বা ভুল করে বসবেন না। ভেবে কাজ করুন। যা করতে চাইছেন তা আদৌ আপনার পক্ষে ভালো কিনা। হয়তো এখন কিছু পাচ্ছেন না বলে তাই নিয়ে দুঃখ করছেন। তবে এই দুঃখ কিন্তু সাময়িক। ভরসা রাখুন। একদিন কেটে যাবেই। স্বপ্ন থাকলে তা পূরণ হবেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *