শিবচর চরাঞ্চল ও পদ্মার পাড়ের মানুষের একটাই দাবী নদী ভাঙন ঠেকান

গত কয়েক বছর ধরেই আড়িয়াল খা ও পদ্মার ভাঙ্গন চলছে মাদারীপুরের চরাঞ্চলে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বন্দরখোলা, চরজানাজাত এবং কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনে এরইমধ্যে বাড়িঘর সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে চরের ২শতাধিক পরিবার। ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর লেখা-পড়া ক্ষতি গ্রস্থ হয়। বসতবাড়ি, জমিজমা নদীর বুকে বিলিন হয়ে যাওয়ায় অসহায় হয়েছে অনেক পরিবার। মাথা গোজার ঠাঁই মিলছে না কোথায়ও। 

গত ১লা আগস্ট মাদারীপুর শিবচর -১ আসনের এমপি, একাদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী ডা.মো.এনামুর রহমান, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, দূ্র্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি তাজুল ইসলাম, একই মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী শিবচরের পদ্মা ও আড়িয়াল খা নদীর ভাঙনকবলিত ও বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রান বিতরণ করেন।

মাদারীপুর শিবচর উপজেলার চরাঞ্চলের ও পদ্মার পাড়ের পাচঁ টি ইউনিয়নের জনগনের মাঝে ত্রান বিতরন কালে, শিবচর উপজেলার ভাঙ্গন কবলিত জনসাধারন ফেস্টুন হাতে নদী ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানান।

এ ব্যাপারে, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁয় মাদরাসা, ঘরবাড়ি ও রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। এত বড় নদী ভাঙন প্রতিরোধে ব্যাপক পরিকল্পনা দরকার। আড়িয়াল খাঁর ভাঙন প্রতিরোধে তিনশ ৬০ কোটি টাকার বাঁধের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। পদ্মার ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু না করলে ভবিষ্যতে আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, খুব শীঘ্রই এই নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধান করা হবে।

শাহাদাত হোসেন জুয়েল
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *