হাইকোর্টে আবারো খালেদা জিয়ার জামিন প্রত্যাখ্যান



জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়া ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওই বেঞ্চে শুনানির পর আদালত খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সম্পর্কিত তিন অবস্থার তথ্য ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জানতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে আদেশ দেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে পৌঁছায়।

হাইকোর্টে দেওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি উন্নত চিকিৎসা নিতে সম্মতি দেননি। আজ সকালে আদালতে বিএসএমএমইউর প্রতিবেদন পড়ে শোনান। পরে আদেশের জন্য বিকেলে সময় রাখেন হাইকোর্ট। আদেশে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন হাইকোর্ট। খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনে নতুন কোনো সারবত্তা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যান করেছেন হাইকোর্ট।


বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার বাংলায় এই আদেশ দেন।

আদালত বলেছেন, খালেদা জিয়া একজন বন্দী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। একজন সাধারণ মানুষের মতো সুযোগ-সুবিধা একজন বন্দী পেতে পারেন না। তবে তিনি উন্নত চিকিৎসার (অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট) জন্য সম্মতি দিলে তা হতে পারে। তিনি সম্মতি দিলে মেডিকেল বোর্ডকে দ্রুত চিকিৎসা দিতে বলেছেন আদালত। বোর্ড চাইলে তাদের সদস্যসংখ্যা বাড়াতে পারবে।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

বিএনপির চেয়ারপারসন ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দী। গত বছরের এপ্রিল থেকে তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *